ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) হলো পণ্য বা সেবা বিক্রির ওপর ধার্য কর, যা সাধারণত ক্রেতার কাছ থেকে আদায় হয়ে ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সরকারের কাছে জমা পড়ে। ব্যবসার ধরন ও বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ অনুযায়ী ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হতে পারে। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে একটি বিআইএন (Business Identification Number) দেওয়া হয় এবং নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হয়।
বিআইএন (BIN) কী
বিআইএন হলো ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় শনাক্তকরণ নম্বর। চালান, দরপত্র, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজ এবং অনেক বড় ক্রেতার সঙ্গে লেনদেনে এই নম্বর দেখাতে হয়।
আমরা যেসব কাজে সহায়তা করি
- ভ্যাট নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট: আপনার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের আওতায় পড়ে কি না যাচাই করে আবেদন প্রস্তুত।
- বিআইএন সার্টিফিকেট: সনদ সংগ্রহ এবং তথ্য ঠিক আছে কি না নিশ্চিত করা।
- ভ্যাট রিটার্ন: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল।
- আইডি পুনরুদ্ধার: অনলাইন ভ্যাট হিসাবের আইডি বা পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধারে সহায়তা।
সাধারণত যেসব কাগজপত্র লাগে
ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যবসার ঠিকানার প্রমাণ, ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং ক্রয়-বিক্রয়ের চালান বা হিসাব। কোম্পানি হলে নিবন্ধনের কাগজও লাগে।
নিয়মিত রিটার্নে যা দেখা হয়
- নির্দিষ্ট সময়ে মোট বিক্রয় ও সেই বিক্রয়ের ওপর ভ্যাট
- ক্রয়ের সময় দেওয়া ভ্যাট, যা নিয়ম অনুযায়ী সমন্বয় করা যেতে পারে
- চালান ও খাতার হিসাবের মিল
- শূন্য লেনদেন হলেও নিয়ম অনুযায়ী রিটার্ন দেওয়ার প্রয়োজন
কাজের ধাপ
- ব্যবসার ধরন ও লেনদেন জেনে ভ্যাটের আওতা নির্ধারণ।
- নিবন্ধন বা বিদ্যমান তথ্য যাচাই।
- হিসাব ও চালান মিলিয়ে রিটার্ন প্রস্তুত।
- আপনার সম্মতির পর রিটার্ন দাখিল এবং পরের সময়সীমা জানিয়ে দেওয়া।
সতর্কতা
ভ্যাট রিটার্ন দেরিতে দিলে বা না দিলে জরিমানা হতে পারে। চালান ও হিসাব নিয়মিত গুছিয়ে রাখলে রিটার্ন সহজ হয়। ভ্যাটের হার, ছাড় ও নিয়ম সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
এই পাতার তথ্য সাধারণ ধারণা দেওয়ার জন্য। আপনার ক্ষেত্রে কী কী লাগবে, তা পরামর্শের সময় নিশ্চিত করা হবে। পরামর্শ ফি ১,০০০/- টাকা।